জয় শ্রী কৃষ্ণ

প্রশ্নঃ- পাপ কাহাকে বলে? পাপ কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ- মানুষ যখন ধর্মীয় বিধান ভুলে গিয়ে কদাচার করতে থাকে, তখন তাকে পাপ বলে।পাপ ৩ প্রকার। যথাঃ-(১) শারীরিক পাপঃ- পরহিংসা, চুরি, পরস্ত্রী সঙ্গ।(২) ব্যাচিক পাপঃ- অসত্ প্রলাপ,খারাপ কথা বলা, নিষ্ঠুর বাক্য প্রয়োগ, পরদোষ কীর্ত্তন মিথ্যা ভাষণ মিথ্যা কথা বলা।(৩) মানসিক পাপঃ- পরের দ্রব্যে লোভ পরের অনিষ্ট পরের ক্ষতিচিন্তা বেদবাক্যে অশ্রদ্ধা।এই ত্রিবিধ পাপ সযত্নে এড়িয়ে চললে…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

ভগবানই জীবকে ভাল বা মন্দ কর্ম করান । তাহলে ভাল বা মন্দ কর্মের জন্য জীব দায়ী বা ফলভাগী হবে কেন ?

উত্তরঃ পরমেশ্বর ভগবান জীবকে কর্ম করার শক্তি প্রদান করেন । কারণ ভগবানের শক্তি ব্যতীত জীব কোনও কর্মই করতে সমর্থ হয় না । কিন্তু জীব সেই শক্তি নিয়ে তার নিজের ইচ্ছা অনুসারে কর্ম সম্পাদন করে । নিজের ইচ্ছানুসারে ভাল বা মন্দ কর্ম সম্পাদন করে । তাই কর্মফলের জন্য ভগবান দায়ী হন না । জীবই দায়ী হন…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

প্রশ্নঃ- লোকেরা প্রায় বলে, ‘ভক্তের মধ্যে ভগবান’—এই কথার তাৎপর্য কি?

উত্তরঃ- পরমাত্মারূপে ভগবান প্রত্যেক জীবের অন্তরে নিত্য বিরাজমান। সর্বস্য চাহং হৃদি সন্নিবিষ্টো (গীতা ১৫/১৫) কিন্তু ভগবদবিমুখ ব্যক্তি কখনই তাঁকে জানতে পারে না। মূঢ় ব্যক্তিরা ভগবানকে অবজ্ঞা করে। অবজানন্তি মাং মূঢ়াঃ (গীতা ৯/ ১১)। ভগবান প্রতি অণু- পরমাণুতেও রয়েছেন, অণ্ডান্তরস্থ পরমাণুচয়ান্তরস্থং’ (ব্রহ্মসংহিতা) কিন্তু তাঁকে জানতে হলে শ্রদ্ধাভক্তি দরকার। যার মধ্যে ভগবদ্ভক্তি রয়েছে সে-ই ভক্ত।ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলছেন,…

হরে কৃষ্ণ

অনেকেই প্রশ্ন করেন,অল্প বয়সে বৈষ্ণব হওয়া কি ভাল ?

শ্রীমদ্ভাগবতে ৭/৬/১ উল্লেখ অাছে, কৌমার অাচরেৎ প্রাজ্ঞো ধর্মান্ ভাগবতানিহ। দুর্লভং মানুষং জন্ন তদপাধ্রুবমর্থদম্।। “প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি মানবজন্ন লাভ করে এই জাগতিক অনিত্য সুখের প্রয়াস না করে কুমার বয়সেই ভাগবত-ধর্মের অনুষ্ঠান করবে।কারণ,সংসারে মানবজন্ন—অতি দুর্লভ,তা অাবার ক্ষণিক। কিন্তু ক্ষণস্হায়ী হলেও ভগবদ্ভক্তি সাধনায় এই জীবন পরম অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।” এর পরবতী শ্লোকগুলিতে বর্ণনা করা হয়েছে যে,মানুষ তার দুর্লভ জীবনটা…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

ঈশ্বর মানব সৃষ্টি করেছেন বল – বুদ্ধি – জ্ঞান সবই দিয়েছেন,, পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়েছেন আর বলেছেন দেখি আমার প্রিয় ভক্তরা কি করে?

কিন্তু আমরা এর একটি কেও সঠিক কাজে ব্যবহার করি না,, কিন্তু খারাপ কাজে 90% মানুষ সবার উর্ধ্বে থাকি ! বলশালীরা অন্যের উপর অত্যাচার, লুন্ঠন করে, বুদ্ধিমানেরা নিজে কে বুদ্ধিজীবি বলে,, কিন্তু কাজ সব দেশদ্রোহীদের জন্য, দেশ বিরোধীদের জন্য করে থাকে,, ভগবান কে বিশ্বাস করে না নিজেকে নাস্তিক বলে,, আবার ইসলামপন্থীদের সহায়তা করে ! আর বেশী…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

জয় রাধে গোবিন্দ।

আমি বড় অধম হে গোবিন্দ শ্রদ্ধা ভক্তি নাহি বুঝি, তবুও তোমার ভক্তের মাঝে তোমাকে আমি খুজি। কৃপা করো হে প্রান গোবিন্দ, দয়ার সাগরে তুমি যে ভব পারের কান্ডারী। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

গীতা

কেন শ্রীমদ্ভগবত গীতা পাঠ করা উচিত?

শ্রীমদ্ভগবত গীতার পঠন , সাধন , শ্রবন এবং মনন-চিন্তনে জীবনে শ্রেষ্ঠতার ভাব আসে । গীতা কেবল লাল কাপড় বেঁধে ঘরে রাখার জন্য নয় , বরং গীতা পাঠ করে উপদেশগুলিকে নিজের ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করার জন্য , সুন্দর চরিত্র গঠন করার জন্য , মানব জীবনকে স্বার্থক করার জন্য । গীতা হচ্ছে ভগবানের শ্বাস আর ভক্তের বিশ্বাস…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

প্রত্যেকটি মানুষের একটিই চাওয়া তা হলো, আমি সুখী হতে চাই। কিন্তু, বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষ জানেই না প্রকৃত সুখ কাকে বলে?

মানুষ একটু ভাল খেতে পারলে, একটু ভাল পোশাক পড়তে পারলে, একটু ভাল জায়গায় ঘুমাতে পারলে এবং সুন্দর জীবন সঙ্গী হলেই নিজেকে সুখী বলে মনে করে বা একজন মানুষ মনে করে যে, এগুলো হলেই আমি সুখী হতে পারবো। কিন্তু, এগুলো একজন মানুষকে আদৌ সুখী করতে পারে না। উপরোক্ত ইন্দ্রিয় ভোগের বিষয়গুলো মানুষকে কেবল নিরাশই করতে পারে।…

জয় রাধে

জয় রাধে

বলো রাধে রাধে, বলো রাধে রাধে… রাধে রাধে রাধে রাধে রাধে রাধে রাধে… যদি গৌর না হইতো কেমন হয়তো কেমনে ধরিতাম রে ..? রাধার মহিমা প্রেমরস সীমা জগতে জানাত কে ? আজি যশোদা নন্দন গৌড় হলেন রাধার ভাবকান্তি বিলাস নিয়ে যশোদানন্দন গৌর হলেন l গৌর হে গৌর হে গৌর হে গৌর হে…. জয় রাধে l…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

আপনি কি নিরাপদ ?

কলিযুগে প্রতিটি মানুষের আয়ু অত্যন্ত অল্প কিন্তু এই অল্প সময়ে যারা ভগবানের সেবায় যুক্ত, তারা তাদের প্রকৃত আলয় ভগবদ্ধামে ফিরে যান। কারণ তারা প্ৰকৃতপক্ষে মুক্তির পথে অবস্থিত । যারা প্রকৃত মুক্তির পথে রয়েছেন অর্থাৎ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি সমর্পিত ব্যক্তিদের কাছে কোন কিছুর অভাব বা দুৰ্লভ নয় । ভগবদগীতায় ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ বলেছেন , ”অনিত্যমসুখং লোকমিমং…