জয় রাধে

প্রশ্নঃ- রাধা কে সবাই কৃষ্ণ কলঙ্কিনী বলে রাধা রাগ করে না কেন?

উত্তরঃ- একদিন কৃষ্ণ রাধাকে বলিল, রাধে তোমাকে সবায় কৃষ্ণকলঙ্কিনী কৃষ্ণকলঙ্কিনী বলে, তুমি প্রতিবাদ করতে পারো না। রাধা বলিল, যদি লোকে আমাকে শুধু কলঙ্কিনী বলত, তাহলে প্রতিবাদ করতাম। কিন্তু আমাকে সবাই কৃষ্ণ কলঙ্কিনী বলে ডাকে তাই প্রতিবাদ করি না। কারন যতবার আমায় কৃষ্ণকলঙ্কিনী বলে ততবার আমি তোমার কৃষ্ণ নামটি শুনতে পায়,কলঙ্কিনী শব্দটা শুনতে পাই না। সত্যিয়েই…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

জড় জগতের বাসনাগুলো হচ্ছে,

যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা পরিকল্পনা করবো ততোক্ষণ পর্যন্তই আমাদের অসীম আনন্দ অনুভব করি। কিন্তু যখন সেই স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নেয় তখন জাগতিক কষ্ট ছাড়া আর কিছুই জুটেনা কপালে। এই হচ্ছে জড় জগতে জাগতিক সুখ খোজার ব্যর্থ প্রচেষ্টা। কৃষ্ণ হচ্ছেন সমস্ত আনন্দের মুল উৎস। যখন যেকোন কাজে আমরা প্রধান হিসেবে কৃষ্ণকে সাথে নিয়ে করি তখন সেটা আর…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

ষ্টেশন একটাই কিন্তু গন্তব্যস্থান অনেক==

এই পৃথিবী হচ্ছে কর্মক্ষেত্র। যে লোকেই আমরা গমন করিনা কেনো তা অন্য কোন গ্রহলোক থেকে যাওয়া সম্ভব নয়। তা এই পৃথিবী থেকেই আমাদের যেতে হবে। বলা যায়, এই পৃথিবী হচ্ছে ষ্টেশন। যেমন মুল্যের টিকিট কাটবো গাড়ি আমাদের সেই রকম স্থানে পৌছে দিবে। যেমন কারো গন্তব্য নরকলোক, কারো স্বর্গলোক অথবা অন্য কোন উর্ধলোক অথবা বৈকুণ্ঠধাম অথবা…

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু

বিন্দুমাত্র কৃষ্ণসেবাও বিফলে যায়না।

পরমেশ্বর ভগবানের প্রতি ভক্তিপূর্ণ সেবা কখনও বিফল হয় না। পরমেশ্বর ভগবান যেহেতু নিত্য, তাই মতি বা বুদ্ধি যখন তাঁর সেবায় যুক্ত হয় অথবা কোনো কিছু যখন তাঁর উদ্দেশ্যে সাধিত হয় তখন তাও নিত্যত্ব প্রাপ্ত হয়। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে, পরমেশ্বর ভগবানের প্রতি প্রেমময়ী সেবা জন্ম-জন্মান্তরে সঞ্চিত হতে থাকে এবং ভক্ত যখন পূর্ণতা প্রাপ্ত হন তখন তাঁর…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

পরম আনন্দদাতা শ্রীকৃষ্ণ

আমরা জাগতিক সুখ ভোগের আশায় কতকিছুইনা পরিকল্পনা করি। যতদিন পর্যন্ত পরিকল্পনা চলতে থাকে সেপর্যন্ত মনে বেশ আনন্দই অনুভব হয়। কিন্তু যখন সুখ ভোগের সময় আসে তখন হঠাৎ নানা প্রকার দুখ-কষ্ট, ক্লেশ-পীরা, জড়া-জীর্ণতা এসে উপস্থিত হয়। কৃষ্ণ হচ্ছেন পরম আনন্দদাতা। মুলত সকল আনন্দের মুল উৎস হচ্ছেন তিনিই। আনন্দের এই উৎসকে বাদ দিয়ে আমরা যদি আনন্দ খোজার…

হরে কৃষ্ণ

বদ্ধ জীবদের এই ৩ প্রকারের ক্লেশ অবশ্যই ভোগ করতে হয়। এগুলো হলো:-

১) আধিভৌতিক ক্লেশঃ অন্য জীব হতে প্ৰাপ্ত ক্লেশ। যেমন: নিজের আপনজন অথবা আত্মীয়-স্বজন থেকে পাওয়া দু:খ-কষ্ট, এছাড়া হিংস্র পশুপাখি ও পোকামাকড় প্রভৃতি প্রাণী হতে পাওয়া ক্লেশ ইত্যাদি। ২) আধিদৈবিক ক্লেশঃ দেবতাদের দ্বারা প্রাপ্ত ক্লেশ। যেমন, বন্যা, খরা, দুৰ্ভিক্ষ, ভূমিকম্প, ঘুৰ্নিঝড় ও দুর্ঘটনা। ৩) আধ্যাত্মিক ক্লেশঃ আমাদের কর্ম অনুযায়ী দেহ ও মন অসংখ্য পীড়ার জন্ম দেয়।…

গীতা

ভক্তি জীবনটা হচ্ছে একদম সুক্ষ তারের উপর দিয়ে হাটার মত অবস্থা। একটু পা পিছলিয়ে গেলেই সোজা নিম্নগামী হতে হবে।

ভক্তি জীবনে উপরে উঠতে কঠোর সাধনা ও অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। কিন্তু পতনের জন্য শুধুমাত্র এক মুহুর্তই যথেষ্ট। আমাদের মন হচ্ছে উন্মাদ ঘোড়ার মত। যতদিন পর্যন্ত এর লাগাম মায়ার বসে থাকবে ততোদিন পর্যন্ত আমরা ইন্দ্রিয়ের দাস হয়ে বেচে থাকবো আর ধুকে ধুকে ত্রিতাপ ক্লেশ ভোগ করবো। অর্জুনের রথের ঘোড়ার লাগাম কৃষ্ণের হাতে ছিলো বলেই…

জয় শ্রী রাম

জয় শ্রীরাম

শ্রীরামচন্দ্র তার লীলা সংবরণ করার পুর্বে পরম ভক্ত হনুমানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দ্বাপর যুগে তিনি শ্যাম সুন্দর রুপে আবার তাকে দর্শন দিবেন। এরপর থেকে রাম ভক্ত হনুমানজি অত্যন্ত ভক্তি ও ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে প্রতি বছর রাম নবমী পালন করতেন। এই দিনে ভক্তদের মাঝে তিনি অকাতরে ভগবানের মহাপ্রসাদ বিলি করতেন। হনুমানজির প্রেম ভক্তি এতোটাই শুদ্ধ ছিলো যে,…

মা দুর্গা

মহালয়া কি? কেন এই মহালয়া? মহালয়া কি গুরুত্ব ধারন বা পালন করে?

শুভ মহালয়া , শুভ মহালয়া অনেক শুনেছেন। কিন্তু কেন এই মহালয়া। সবাই নিশ্চিত মহালয়া মানে দূর্গাপূজার দিন গোনা, মহালয়ার ৬দিন পর মহাসপ্তমি, তাই দেবিকে আমন্ত্রণ ইত্যাদি। মহালয়ার তার চেয়ে বড় গুরুত্ব আছে । ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র অকালে দেবিকে আরাধনা করেছিলেন লঙ্কা জয় করে সীতাকে উদ্ধারের জন্য আসল দূর্গা পূজা হলো বসন্তে, সেটাকে বাসন্তি পূজা…

গীতা

শ্রীগীতায় ভগবান বলেছেন- কাম, ক্রোধ, লোভ নরকের দ্বার।

কামঃ- কামকে ভগবান সর্বগ্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছেন। কাম থেকে ক্রোধ উৎপন্ন হয়, ক্রোধের ফলে বুদ্ধি নাশ হয়, আর বুদ্ধি নাশ হওয়ার ফলে তার সর্বনাশ হয়-গীতা। কাম বর্ষবর্তী হয়ে এক রমনীর দিকে দৃষ্টিপাত করায় মহাপ্রভু হরিদাস ঠাকুরকে নিজ পার্শ্বদ থেকে পরিত্যাগ করেছিলেন। ক্রোধঃ- ক্রোধ হচ্ছে তমোগুণের প্রতীক। ভগবান শ্রীগীতায় বলেছেন- তমোগুণ সম্পন্ন জীবদের আমি জন্ম জন্মান্তরে…