জয় শ্রী কৃষ্ণ

“অকল্প কৃষ্ণ লীলা”

শ্রীকৃষ্ণকে সম্পুর্নভাবে জানা কোন ব্যক্তিরই পক্ষে সম্ভব নয় তার কারণ শ্রীকৃষ্ণ নিজেই নিজেকে অপ্রকাশ্য করে রাখেন। তবে আমরা যে সকল নীলা কাহিনী জানি তা পর্যাপ্ত নয়। এথেকে শুধুমাত্র মনে প্রেম ভাব প্রকাশ পায়, কিন্ত মুক্তির বাসনা জম্মে না। অনেকেরই মনে এমন ধারনা যে আমরা এক দিন শ্রীকৃষ্ণের শরীরে লীন হয়ে যাব। এই ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল।…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

প্রশ্নঃ- কৃষ্ণ যদি পরমপিতা আদিপুরুষ হন, তবে তাঁর মা-বাবা থাকা কিভাবে সম্ভব?

উত্তরঃ- ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, জন্ম কর্ম চ মে দিব্যম্ (গীতা ৪/৯)— ‘আমার জন্ম এবং কার্যকলাপ সবই দিব্য অপ্রাকৃত।’ ভগবান কারও বা কোন কিছুর অধীন নন। তাঁর ইচ্ছায় সব কিছুই হতে পারে। তাই কারও পুত্ররূপে কিংবা সখারূপে তিনি লীলাবিলাস করতে পারেন। মায়াবদ্ধ জীব আমরা জন্ম-মৃত্যু গ্রহণ করতে বাধ্য হই। কিন্তু মায়াধীশ শ্রীকৃষ্ণ কোনও কিছুতে বাধ্য নন।…

জয় গীতা

রোজ গীতা পড়লে কর্ম-জীবনে কী উন্নতি হয় জানেন? কী বলছেন পণ্ডিতরা?

শ্রীমদ্ভাগবত গীতা শুধুমাত্র ধর্মীয় গ্রন্থ নয়। বিভিন্ন ধর্মালম্বী মানুষেরা গীতা পাঠ করে থাকেন। জেনে নিন গীতপাঠ জীবনের কী কী উপকার করতে পারে। অনেকে মনে করেন, ধার্মিকরাই গীতা পাঠ করেন। এটা একেবারেই ঠিক নয়। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়ে বিপ্লবীদের অন্যতম পাঠ্য ছিল গীতা। জেনে নিন গীতপাঠ জীবনের কী কী উপকার করতে পারে। কী বলছেন পণ্ডিতরা? ১. গীতায়…

জয় শ্রী কৃষ্ণ

কৃষ্ণ কাকে পারিজাত পুস্প এনে দিয়েছিল?

নিজ ভক্তদের আনন্দবিধানের উদ্দেশ্যে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর নিত্যধাম এবং নিত্যপার্ষদদের সাথে এই ধরাধামে অবতীর্ন হয়ে তাঁর অপ্রাকৃত লীলাবিলাস করেছিলেন।তাঁর অনন্ত ধামসমুহের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দ্বারকা ধাম।যেখানে তিনি বৃন্দাবন এবং মথুরার পর লীলাবিলাস করেন।দ্বারকায় তাঁর মহিষীগনের মধ্যে অন্যতমা ছিলেন সত্যভামা দেবী।তিনি ছিলেন রাজা সত্রাজিতের কন্যা। একবার নারদ মুনি শ্রীকৃষ্ণের প্রধান ভার্য্া রুক্মিণী দেবীকে একটি পারিজাত…

জয় রাধে

রাধাকৃষ্ণ তত্ত্ব কি?

রাধাকৃষ্ণ একই তত্ত্ব, তবে লীলারস আস্বাদিতে নিত্যবৃন্দাবনে একই আত্মা দুই দেহ ধারন করে নিত্য বিরাজমান। রাধা পূর্নশক্তি, কৃষ্ণ পূর্নশক্তিমান। দুইবস্তু ভেদ নাহি, শাস্ত্র পরমান।রাধাকৃষ্ণ ঐছে সদা একই স্বরূপ।লীলারস আস্বাদিতে ধরে দুইরূপ।শ্রীমতি রাধারানী কৃষ্ণপ্রেমের মহাভাব স্বরূপিনী, আর শ্রীকৃষ্ণ প্রেমঘন রস বিগ্রহ। রাধা কৃষ্ণ এক আত্মা দুই দেহ ধরি। অন্যোন্যে বিলসয়ে রস আস্বাদন করি। রাধিকা হয়েন কৃষ্ণের…

জয় বাবা ভোলানাথ

শিব কেন বিষ পান করেন?

দেবতা ও অসুর গনের সমুদ্র মন্থনের সময় সমুদ্র হতে ভয়ংকর হলাহল নামক মারাত্মক বিষ উঠে।তখন সুর অসুর গন সহ ত্রিলোক বিপন্ন হলো।তখন দেবতা ও অসুরগন ব্রহ্মার অনেন্যাপায় হয়ে মহাদেবের স্তব করেন।স্তবে তুষ্ট হলে জগতের হিতার্থে ব্রহ্মা মহাদেবকে সেই বিষ পান করতে বলেন।মহাদেব সস্মত হয়ে বিষ পান করে কন্ঠে ধারন করেন।বিষের তেজে মহাদেবের কন্ঠ নীল বর্ন…

জয় বাবা লোকনাথ

বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর সংক্ষিপ্ত জীবনী-

১১৩৭ বঙ্গাব্দ বা ইংরেজী ১৭৩০ খ্রীষ্টাব্দের কথা, তৎকালীন যশোহর জেলা আর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমা- এর চৌরশী চাকলা নামক গ্রামে শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ছিল রামনারায়ন এবং মায়ের নাম কমলা দেবী। বাবা ছিলেন একজন ধার্মীক ব্রাহ্মণ। বাবা মায়ের চতুর্থ সন্তান ছিলেন লোকনাথ বাবা। সেই সময়কার মানুষের…

জয় শ্রীকৃষ্ণ

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলছেন ভক্ত কে !

হে পার্থ আমি বৈকুণ্ঠে ও থাকি না, যোগীদের হৃদয়ে ও থাকি না, যেখানে যে ভক্ত আমার শ্রীমদ্ভগবদগীতা বর্ণনা অনুসারে যিনি শ্রদ্ধা ও প্রেম সহকারে নাম ও গুণকীর্তন করেন, সেখানে আমি থাকি ।। শ্রীমদ্ভগবদগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন- যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈব ভজাম্যহম্ । মম বর্ত্মানুবর্তন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সর্বশঃ ।। (৪/১১) অর্থাৎ যে যেভাবে বা…

জয় শ্রীকৃষ্ণ

কিভাবে ভগবানকে ভালবাসব?

শ্রবণং কীর্ত্তনং বিষ্ণোঃ স্মরণং পাদসেবনম্। অর্চনং বন্দনং দাস্যং সখ্যমাত্মনিবেদনম্।। ইতি পূংসার্পিতা বিষ্ণৌ ভক্তিশ্চেন্নবলক্ষণা। ক্রিয়েত ভগবত্যদ্ধা তন্মন্যেহধীতমুত্তমম্।। (ভাগবত ৭/৫/২৩-২৪) অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণের নাম ও লীলা শ্রবণ, কীর্ত্তন, স্মরণ, পাদসেবন, অর্চন, বন্দন, দাস্য, সখ্য, আত্মনিবেদন- এই নয়টি লক্ষণযুক্ত ভক্তি, শ্রীকৃষ্ণে অর্পিত হয়ে সাধিত হলে ভগবানের কাছে প্রেমভক্তিমূলক মনোভাব এবং সর্বসিদ্ধি লাভ হয়। আর এভাবেই আমাদের সমস্ত কার্যকলাপে ভগবানকে…

জয় রাধে

প্রশ্নঃ- রাধা কে সবাই কৃষ্ণ কলঙ্কিনী বলে রাধা রাগ করে না কেন?

উত্তরঃ- একদিন কৃষ্ণ রাধাকে বলিল, রাধে তোমাকে সবায় কৃষ্ণকলঙ্কিনী কৃষ্ণকলঙ্কিনী বলে, তুমি প্রতিবাদ করতে পারো না। রাধা বলিল, যদি লোকে আমাকে শুধু কলঙ্কিনী বলত, তাহলে প্রতিবাদ করতাম। কিন্তু আমাকে সবাই কৃষ্ণ কলঙ্কিনী বলে ডাকে তাই প্রতিবাদ করি না। কারন যতবার আমায় কৃষ্ণকলঙ্কিনী বলে ততবার আমি তোমার কৃষ্ণ নামটি শুনতে পায়,কলঙ্কিনী শব্দটা শুনতে পাই না। সত্যিয়েই…